Showing posts with label AlQuran. Show all posts
Showing posts with label AlQuran. Show all posts

Feb 13, 2023

সূরা আন নাসর-Sura An Nasr

 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

সূরা নং-১১০,  আন নাসর-Sura An Nasr

আয়াতঃ ০৩, মাদানী সূরা।

                                                                                                                اِذَا جَآءَ نَصۡرُ اللّٰهِ وَ الۡفَتۡحُ

১।যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়।

                                                                                         وَ رَاَیۡتَ النَّاسَ یَدۡخُلُوۡنَ فِیۡ دِیۡنِ اللّٰهِ اَفۡوَاجًا ۙ

২।আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন।

 فَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّکَ وَ اسۡتَغۡفِرۡهُ ؕؔ اِنَّهٗ کَانَ تَوَّابًا 

৩।তখন আপনি আপনার রবের প্ৰশংসাসহ তার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।


‏

Jan 26, 2020

Sura Abu Lahab (সূরা আবু লাহাব) এর বাংলা অর্থ এবং শানে নুযুল।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি।

sura abu lahab

111.Sura Abu Lahab (সূরা আবু লাহাব)

সূরা আবু লাহাবের আরেক নাম-সূরা আল-মাসাদ।
মোট আয়াতঃ- ৫টি।
নাযিলের স্থানঃ- মক্কা । এজন্য এই সূরাকে মাক্কী সূরা বলে।
১। تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ
 আবূ লাহাবের দুই হাত ধ্বংসহোক এবং সে নিজেই ধ্বংস হোক।
২। مَا أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ
তার ধন-সম্পদ এবং যা সে অর্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসবে না।
৩।سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ
অচিরেই সে প্রবেশ করবে লেলিহান শিখাযুক্ত আগুনে,
৪।وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ
আর তার স্ত্রীও- যে কাঠবহনকারিণী (ইন্ধন বহনকারিণী)।
৫।فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ
তার গলায় শক্ত পাকানো রশি (দড়ি) বাঁধা থাকবে।
শানে নুযুলঃ
সহীহ বুখারীতে হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী করিম (সঃ) বাতহা নামক স্থানে গিয়ে একটি পাহাড়ের উপর আরোহন করলেন এবং উচ্চস্বরে, “ইয়া সাবা’হা’হ ইয়া সাবা’হা” ( অর্থাৎ হে ভোরের বিপদ, হে ভোরের বিপদ) বলে ডাক দিতে শুরু করলেন। অল্পক্ষণের মধ্যে সমস্ত কুরাইশ নেতা সমাবেত হলো। তখন রাসূল (সঃ) বললেন, “যদি আমি তোমাদেরকে বলি যে, সকালে অথবা সন্ধ্যাবেলায় শত্রুরা তোমাদের উপর আক্রমণ চালাবে তবে কি তোমরা আমার কথায় বিশ্বাস করবে?”
তখন সমস্বরে বলে উঠলো, “হাঁ হাঁ অবশ্যই বিশ্বাস করবো”। তখন তিনি তাদেরকে বললেন, “শোনো, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর ভয়াবহ শাস্তির আগমনের সংবাদ  দিচ্ছ”। তখন আবু লাহাব একথা শুনে বললো, “তোমার সর্বনাশ হোক, এ কথা বলার জন্যই কি তুমি আমাদেরকে সমবেত করেছো”? তখন আল্লাহ তায়ালা এ সূরাটি নাযিল করেন।

Sura Al Fatiha with English Meaning

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
In the name of Allah, The Supreme Merciful, Special Merciful.
Sura Al Fatiha ( سورة الفاتحة)
Total verses=7 (Seven)
Revealed in Makkah.
Sura Al Fatiha is the first sura of The Holy Quran. It is called as the mother of Al Quran. The whole summery of Al Quran lies in Sura Al Fatiha. Every muslim recites this sura at leat five times in daily prayer.
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
  1.  All praise to the Almighty Allah, who is the Lord of the worlds
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
  2. He is the entirely merciful and the special merciful.
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
 3. Owner of the day of Judgement.
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
 4. We only worship You and only ask for your help.
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
 5.  Give and guide us to the straight path.
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ
6.  The path of those upon whom you have bestowed favor.
غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
7. Not in the path of those who have evoked your anger or those who are astray.
(Our Prophet Hazrat Muhammad (peach be upon him) has given very importance on this sura. So we have to learn it for the satisfaction of Allah. It is a prayer to Allah for his slaves.)


সূরা ইখলাস বাংলা অর্থসহ।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি।
meaning of sura ikhlas

Sura No-112 (সূরা নং-১১২)

Sura lkhlas (সূরা ইখলাস)

মোট আয়াত সংখ্যাঃ ৪ টি।
নাজিলের স্থানঃ সূরা ইখলাস পবিত্র মক্কা নগরীতে নাজিল হয়। এজন্য এই সূরাকে মাক্কী সূরা বলে।
আয়াত নং    বাংলায় অর্থ                 আরবি আয়াত
১। বল, (হে নবী) তিনিই আল্লাহ, এক- অদ্বিতীয়। 

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ

২।আল্লাহ কারও মুখাপেক্ষী নন।

اللَّهُ الصَّمَدُ

৩।তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ

৪।এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।

وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

সূরা ইখলাসের শাব্দিক অর্থ

আবরী শব্দ

বাংলা অর্থ

قُلْ

 ( হে নবী ) বলো, বলুন

هُوَ

তিনি, সে, সেই

اللَّهُ

আল্লাহ

أَحَدٌ

এক, অদ্বিতীয়

الصَّمَدُ

মুখাপেক্ষী নন, অমুখাপেক্ষী, স্বনির্ভর, অন্যের উপর নির্ভরশীল নয়।

لَمْ

অতীতের না বোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়।

لَمْ يَلِدْ

তিনি জন্ম দেননি,

وَ

এবং

لَمْ يُولَدْ

তাকেও জন্ম দেয়া হয়নি, (কর্মবাচ্য)

لَمْ يَكُنْ

হয় না।

لَهُ

তার জন্য, তার সমান

كُفُوًا

 সমকক্ষ

أَحَدٌ

 কেউ
সূরা ইখলাসের শানে নুযুলঃ-  হযরত জাবীর (রাঃ) হতে বর্নিত তিনি বলেন, একজন বেদুইন নবী করিম (সঃ) এর কাছে এসে বললেন,“আমার সামনে আপনার প্রতিপালকের গুনাবলী বর্ননা করুন।” তখন আল্লাহ তায়ালাقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ সূরাটি নাজিল করেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে কুরায়েশদের এক প্রশ্নের জওয়াবে আল্লাহ তায়ালা এই সূরাটি নাজিল করেন।
সূরা ইখলাসের অনেক ফজিলাত রয়েছে।
১।ইসমাঈল (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যাক্তি অপর এক ব্যাক্তিকে বারবার ইখলাস” সূরাটি তিলাওয়াত করতে শুনল। সকাল বেলা সে ব্যাক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে উপস্থিত হয়ে তার নিকট এ ব্যাপারটি উল্লেখ করল। সে ব্যাক্তিটি যেন সূরা ইখলাসের (মহত্তকে) কম করে দেখছিল। এই প্রেক্ষিতে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে মহান সত্তার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি! এই সূরাটি মর্যাদার দিক দিয়ে অবশ্যই কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ। ইসমাঈল ইবনু জাফর কাতাদা ইবনু আল নূমান (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (কিছুটা) বৃদ্ধি সহকারে বর্ণনা করেছেন।
২। মুহাম্মদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাহাবীকে একটি মুজাহিদ দলের প্রধান করে জিহাদে পাঠালেন। সালাত (নামায/নামাজ) তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে ইমামতি করতেন, তখন ইখলাস সূরাটি দিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) শেষ করতেন মুজাহিদগণ সেই অভিযান থেকে প্রত্যাবর্তন করে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খেদমতে বিষয়টি আলোচনা করলেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাঁকেই জিজ্ঞাসা কর কেনই বা সে এই কাজটি করেছে? এরপর তাঁরা তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তর দিলেন, এই সুরাটিতে আল্লাহ তায়াআলার গুনাবলি রয়েছে। এই জন্য সুরাটি তিলাওয়াত করতে আমি ভালোবাসি। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ পাক তাঁকে ভালবাসেন।

সূরা আল ফালাক বাংলা অর্থসহ।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি।

Sura No-113 (সূরা নং-১১৩)

Sura Al Falaq (সূরা আল ফালাক)

মোট আয়াত সংখ্যাঃ  ৫ টি।
নাজিলের স্থানঃ সূরা আল ফালাক পবিত্র মক্কা নগরীতে নাজিল হয়। এজন্য এই সূরাকে মাক্কী সূরা বলে।
আয়াত নং    বাংলায় অর্থ                 আরবি আয়াত
১। বল, আমি আশ্রয় চাচ্ছি সকাল বেলার রবের কাছে।

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ

২। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে।

مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

৩।আর অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়।

وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ

৪।এবং গিরায় ফুকদানকারী নারীর অনিষ্ট হতে

وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ

৫।এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে ।

وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

   

 

সূরা আন নাসের বাংলা শাব্দিক অর্থ

আরবি শব্দবাংলা অর্থ

قُلْ

 ( হে নবী ) বল, বলুন

أَعُوذُ

আমি আশ্রয় চাচ্ছি

بِرَبِّ

প্রতিপালকের, প্রতি পালকের কাছে

الْفَلَقِ

ঊষা, প্রভাত, সকাল

مِنْ

হতে, থেকে

شَرِّ

ক্ষতি, অনিষ্ট

مَا

যা

خَلَقَ

তিনি সৃষ্টি করেছেন,

غَاسِقٍ

অন্ধকার রাত, তিমির রাত,

إِذَا

যখন

وَقَبَ

অন্ধকারে ঢেকে যায়, অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়

النَّفَّاثَاتِ

ফুকদানকারী, যাদুকর

فِي

মধ্যে

الْعُقَدِ

গিরা,

حَاسِدٍ

হিংসুক, হিংসাকারী

حَسَدَ

হিংসা করে

 

j

সূরা আন নাস বাংলা অর্থসহ।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি।

Sura No-114 (সূরা নং-১১৪)

Sura An Naas (সূরা আন নাস)

মোট আয়াত সংখ্যাঃ  ৬ টি।
নাজিলের স্থানঃ সূরা আন নাস পবিত্র মক্কা নগরীতে নাজিল হয়। এজন্য এই সূরাকে মাক্কী সূরা বলে।
আয়াত নং    বাংলায় অর্থ                 আরবি আয়াত
১। বল, আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের প্রতিপারকের কাছে।

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ

২। মানুষের অধিপতির কাছে।

مَلِكِ النَّاسِ

৩। মানুষের উপাস্যের কাছে।

إِلَٰهِ النَّاسِ

৪। আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে।

مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ

৫। যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ

৬। (এই কুমন্রণা) জিনের মধ্য হতে এবং মানুষের মধ্য হতে।

مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ

 

সূরা আন নাসের বাংলা শাব্দিক অর্থ

আরবি শব্দবাংলা অর্থ

قُلْ

 ( হে নবী ) বল, বলুন

أَعُوذُ

আমি আশ্রয় চাচ্ছি

بِرَبِّ

প্রতিপালকের, প্রতি পালকের কাছে

النَّاسِ

মানুষ, মানুষ জাতীর

مَلِكِ

অধিপতি, বাদশাহ,

إِلَٰهِ

উপাস্য , ইলাহ

مِنْ

হতে ,  থেকে ,

شَرِّ

ক্ষতি, অনিষ্ট

الْوَسْوَاسِ

 ওয়াসওয়াসা, কুমন্ত্রণা, বাজে পরামর্শ

الْخَنَّاسِ

আত্নগোপনকারী, যে নিজেকে লুকিয়ে রাখে

الَّذِي

যে , ‍যিনি

يُوَسْوِسُ

কুমন্ত্রণা দেয়,

فِي

মধ্যে

صُدُورِ

 অন্তর সমূহ

مِنَ

হতে , থেকে

الْجِنَّةِ

জ্বীন, শয়তান

j

সূরা আল ফাতিহা বাংলা অর্থ সহ।


بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি।

সূরা নং-১। সুরা আল ফাতিহা

সূরা ফাতিহা নাজিল হয়েছিল মক্কায়। এজন্য এ সূরাটি মাক্কী সূরা নামে পরিচিত। পবিত্র কুরআনের সারাংশ বা সারমর্ম হচ্ছে এই সূরা। এই সূরাকে বলা হয় উম্মুল কুরআন বা পবিত্র কুরআনের জননী।
আয়াত নং
বাংলা অর্থ
আয়াত (আরবি)
১।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক।
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
২।
যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালূ।
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
৩।
যিনি (বিচার) প্রতিফল দিবসের মালিক।
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
৪।
আমরা একমাত্র তোমারই  ইবাদাত করি এবং শুধু  তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
৫।
তুমি আমাদেরকে সরল সঠিক পথ প্রদর্শন কর
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
৬।
তাদের পথ, যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ (রহমত) করেছ।
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ
৭।
তাদের পথে নয় যারা অভিশপ্ত (ইয়াহুদি) ও পথভ্রষ্ট (খ্রিষ্টান) হয়েছে।
غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
 আমিন

সূরা আল ফাতিহার শাব্দিক অর্থ।

আরবী শব্দবাংলা অর্থ
الْحَمْدُসমস্ত প্রশংসা
لِلَّهِআল্লাহর জন্য
رَبِّপ্রতিপালক, প্রভু
الْعَالَمِينَবিশ্ব জগৎ, সমস্ত পৃথিবী, সারা জাহান
الرَّحْمَٰنِপরম করুণাময়,
الرَّحِيمِঅতি দয়ালু, বিশেষ দয়ালু
مَالِكِমালিক , অধিপতি, স্বামী
يَوْمِদিন, দিবস,
الدِّينِবিচার, কর্মফল
إِيَّاكَশুধুই তোমার , একমাত্র তোমার
نَعْبُدُআমরা ইবাদাত করি, উপাসনা করি
وَإِيَّاكَএবং একমাত্র তোমারই,
نَسْتَعِينُআমরা সাহায্য চাই।
اهْدِنَاআমাদেরকে দিন, আমাদের প্রদর্শণ করুণ
الصِّرَاطَপথ, দিশা,
الْمُسْتَقِيمَসরল, সহজ,
صِرَاطَপথ, দিশা,
الَّذِينَযারা, যাদের,
أَنْعَمْتَতুমি নিয়ামত দিয়েছে, তুমি অনুগ্রহ করেছো
عَلَيْهِمْযাদের উপর
غَيْرِব্যতিত, নয়
لْمَغْضُوبِঅভিশপ্ত, লানতপ্রাপ্ত
وَلَاআর নয়
الضَّالِّينَপথভ্রষ্ট, বেপথগামী


সূরা ফাতিহা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ।